Home Bengali Status Bengali Status For Facebook

Bengali Status For Facebook

by Binay
124 views

তোমার ইচ্ছে গুলো ইচ্ছে হলে
আমায় দিতে পারো,
আমার ভালো লাগা, ভালোবাসা
তোমায় দেবো আরো,
তুমি হাতটা শুধু ধরো,
আমি হবো না আর কারো।

ছায়ার কাছে ঋণ বেড়ে যায়
যখন ফুরিয়ে আসে আলো,
পেয়ে হারিয়ে ফেলার চাইতে
একাই থাকা ভালো।

তুমি আসবে বলে
আজও চোখ দুটো তোমায় খোঁজে,
দুই প্ল্যাটফর্মের বুক চিরে ট্রেনের লাইন
আর আমি দাঁড়িয়ে ওভারব্রিজে।

সম্পর্ক যখন নতুন হয়
মানুষ তখন অজুহাত খোঁজে
কথা বলার জন্য,
আর সম্পর্ক যখন পুরোনো হয়ে যায়
তখন মানুষ অজুহাত দেখায়
এড়িয়ে যাওয়ার জন্য।

শরীরের বিনিময়ে যদি
ভালোবাসা যেত কেনা,
তাহলে প্রতিটা বেশ্যালয় হতো
ভালোবাসার শেষ ঠিকানা।

“কখনও হাল ছেড়ে দিওনা বন্ধু, আজকের দিন হয়তো কঠিন, আগামী কাল আরও খারাপ হতে পারে, কিন্তু এর পরের দিন ঠিক নতুন সূর্যোদয় হবে”

 “চলার পথে কাউকে ছোট মনে করা উচিৎ নয়, কারণ একটা ছোট পোকার কামড়েও একটা বিশাল হাতির মৃত্যু ঘটতে পারে”

 “পৃথিবীতে সবচেয়ে শ্রজীবীদের উর্ধ্বে যিনি থাকেন তাকে কি আপনি চেনেন? তিনি হলেন “আমাদের মা”। কর্মবিরতি নেই, মজুরি নেই, স্বার্থ নেই, দাবি নেই, শর্ত নেই, তিনি শুধুই দিয়ে যান বিনিময়ে কিছুই চান না”

“কেউ বিপদে পড়লে তাকে সাহায্য করা দরকার, এতে করে হয়তো কিছু লাভ হবেনা তবে ক্ষতিও কিছু হবেনা, যেটা হবে সেটা নিজের মধ্যে একটা অজানা ভালোলাগার অনুভূতি জন্মাবে”

“মাঝে মাঝে নীরবতা অনেক কিছু বলে দেয়, যেখানে মুখের কথা শেষ হয়ে যায় সেখানে নীরবতা কথা বলে”

“দুই ধরনের মানুষকে চিরদিন মনে রাখা উচিত, প্রথম হলো যে আপনাকে বিপদে সাহায্য করেছিল, আর দ্বিতীয় জন হলো যে আপনার শত্রু ছিলো”

 “মানুষের খারাপ সময় সারাজীবন থাকেনা, একদিন তার জীবনের পথ সরল হবেই, তবে এই খারাপ সময়ে খারাপ ব্যবহার করা মানুষ গুলো সারাজীবন মনে রয়ে যায়”

“যে সব খারাপ জিনিস গুলোকে পরিবর্তন করবো করবো ভবি কিন্তু করতে পারিনা, সেই সমস্ত জিনিস গুলোই একদিন আমাদের পরিবর্তনে করে দেবে”

“ঈশ্বর যত বড়োই ডানা তোমার দিক না কেনো, যদি মনে সাহস না থাকে তবে কোনো দিনই উড়া সম্ভব হবে না”

“বিপুল সভ্যতার মাঝে দাড়িয়ে ভাবছি এতো কোলাহলের মাঝে আমি কি একা? রূপালী ধানের ডানায় বাতাসের মতো একটিবার আমাকে ছুয়ে জাও। আমি একাকীত্বের প্রচন্ড প্রপাত বুকে নিয়ে, একটানা চৈত্রের খরা তাপে প্রেমের জমিতে বিরহের ফসল করবো চাষ”

“কিছু মানুষ আছে যারা নিজের বলতে কিছু জানে না, সারাজীবন শুধু অন্যের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে”

“মাঝে মাঝে আমি তোমার মতো হয়ে নিজেকে রাখার চেষ্টা করি কিন্তু পারিনা, তাই আমি আমার মতো করে থাকতে বেশি ভালোবাসি”

 “সব হাত বন্ধুত্বের হয়না। কিছু হাত বন্ধুত্বের বাহানায় ধ্বংস করার জন্য এগিয়ে আসে, জীবনে বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি”

প্রতিটি মানুষের জীবন একইভাবে শেষ হয়। কেবল মাত্র তিনি কি ভাবে বেঁচে ছিলেন এবং জীবন্ত অবস্থায় কি কর্ম করেছেন, তার উপর ভিত্তি করেই একজনকে অন্যের থেকে আলাদা করা হয়।

এই ছোট্ট জীবনে যেটুকু শেখার এবং জানার সুযোগ মেলে সেটুকু শিখে এবং জেনে নাও, নিশ্বাস যতোদিন চলবে সেই ছোটো ছোটো শেখা ও জানা গুলো কাজে লাগবে।

জীবনে সুখী থাকার উপায় হলো ১. দুঃখের অতীত কে ভুলে যেতে হবে, ২. ভবিষ্যতের বিষয়ে বেশি চিন্তা না করা, ৩. পুরোপুরি বর্তমানের উপর মনোনিবেশ করা।

নিজের সুখের জন্য নিজের উপর বেশি দায়িত্ব পোষণ করতে হবে, অপর মানুষের হতে সুখের আশা না করাই উত্তম।

অপর মানুষের থেকে ভালোবাসা পেতে হলে, নিজেকে প্রথম ভালোবাসতে হবে। তবেই অন্য মানুষকে ভালোবাসা দেয়া এবং তার থেকে ভালবাসা নেয়া সম্ভব।

অতীত হলো একটি পুরাতন জায়গা সেখান থাকে শিখে নিতে হয়, সেই শিক্ষাকেই কাজে লাগিয়ে জীবনকে চালিত করতে হবে সামনের দিকে,

মনের কথা না শুনে হৃদয়ের অনুভূতিকে অনুসরণ করুন, অন্যেরা কি ভাবলো আপনাকে নিয়ে কি মনে করলো সেটা তাদের উপর ছেড়ে দিন।

সমাজ আবার কিসের! সমাজতো শুধু বিখ্যাত ব্যাক্তিদের নিয়ে সমালোচনা আর গরীব মানুষ দের নিয়ে কুটুক্তি করতে জানে।

 মাঝে মাঝে মনে হাজার প্রশ্নের ঝড় উঠে, পৃথিবী কি সত্যিই বদলায়? নাকি পৃথিবীর মানুষ গুলো পাল্টে যাচ্ছে চুপিসারে? আর আমরা পৃথিবীর উপর দোষারোপ করি।

 লাভ লোকসানের হিসেব কষে কি হবে! জীবনতো কটা দিনের জন্য মাত্র, এই কদিনের জীবনে যত খুশি ভালোবাসা দিয়ে জাও এবং নিয়ে জাও।

“একদিন এই শহর ছেড়ে চলে যাবো অনেক দূরে, সেখানে নতুন বসতি গড়বো, তবে তাড়া নেই, সঠিক ট্রেনের অপেক্ষায় যদি একটা জনম কেটে যায় তাও ভালো, তবু ভুল ট্রেনে চড়বো না”

“কখনও হাল ছেড়ে দিওনা বন্ধু, আজকের দিন হয়তো কঠিন, আগামী কাল আরও খারাপ হতে পারে, কিন্তু এর পরের দিন ঠিক নতুন সূর্যোদয় হবে”

 “চলার পথে কাউকে ছোট মনে করা উচিৎ নয়, কারণ একটা ছোট পোকার কামড়েও একটা বিশাল হাতির মৃত্যু ঘটতে পারে”

 “পৃথিবীতে সবচেয়ে শ্রজীবীদের উর্ধ্বে যিনি থাকেন তাকে কি আপনি চেনেন? তিনি হলেন “আমাদের মা”। কর্মবিরতি নেই, মজুরি নেই, স্বার্থ নেই, দাবি নেই, শর্ত নেই, তিনি শুধুই দিয়ে যান বিনিময়ে কিছুই চান না”

“কেউ বিপদে পড়লে তাকে সাহায্য করা দরকার, এতে করে হয়তো কিছু লাভ হবেনা তবে ক্ষতিও কিছু হবেনা, যেটা হবে সেটা নিজের মধ্যে একটা অজানা ভালোলাগার অনুভূতি জন্মাবে”

“মাঝে মাঝে নীরবতা অনেক কিছু বলে দেয়, যেখানে মুখের কথা শেষ হয়ে যায় সেখানে নীরবতা কথা বলে”

“দুই ধরনের মানুষকে চিরদিন মনে রাখা উচিত, প্রথম হলো যে আপনাকে বিপদে সাহায্য করেছিল, আর দ্বিতীয় জন হলো যে আপনার শত্রু ছিলো”

 “মানুষের খারাপ সময় সারাজীবন থাকেনা, একদিন তার জীবনের পথ সরল হবেই, তবে এই খারাপ সময়ে খারাপ ব্যবহার করা মানুষ গুলো সারাজীবন মনে রয়ে যায়”

“যে সব খারাপ জিনিস গুলোকে পরিবর্তন করবো করবো ভবি কিন্তু করতে পারিনা, সেই সমস্ত জিনিস গুলোই একদিন আমাদের পরিবর্তনে করে দেবে”

“ঈশ্বর যত বড়োই ডানা তোমার দিক না কেনো, যদি মনে সাহস না থাকে তবে কোনো দিনই উড়া সম্ভব হবে না”

“বিপুল সভ্যতার মাঝে দাড়িয়ে ভাবছি এতো কোলাহলের মাঝে আমি কি একা? রূপালী ধানের ডানায় বাতাসের মতো একটিবার আমাকে ছুয়ে জাও। আমি একাকীত্বের প্রচন্ড প্রপাত বুকে নিয়ে, একটানা চৈত্রের খরা তাপে প্রেমের জমিতে বিরহের ফসল করবো চাষ”

“কিছু মানুষ আছে যারা নিজের বলতে কিছু জানে না, সারাজীবন শুধু অন্যের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে”

“মাঝে মাঝে আমি তোমার মতো হয়ে নিজেকে রাখার চেষ্টা করি কিন্তু পারিনা, তাই আমি আমার মতো করে থাকতে বেশি ভালোবাসি”

 “সব হাত বন্ধুত্বের হয়না। কিছু হাত বন্ধুত্বের বাহানায় ধ্বংস করার জন্য এগিয়ে আসে, জীবনে বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি”

প্রতিটি মানুষের জীবন একইভাবে শেষ হয়। কেবল মাত্র তিনি কি ভাবে বেঁচে ছিলেন এবং জীবন্ত অবস্থায় কি কর্ম করেছেন, তার উপর ভিত্তি করেই একজনকে অন্যের থেকে আলাদা করা হয়।

এই ছোট্ট জীবনে যেটুকু শেখার এবং জানার সুযোগ মেলে সেটুকু শিখে এবং জেনে নাও, নিশ্বাস যতোদিন চলবে সেই ছোটো ছোটো শেখা ও জানা গুলো কাজে লাগবে।

Related Posts